ভার্চুয়ালি পালিত হচ্ছে ই-কমার্স দিবস
আজ ৭ এপ্রিল। ছয় বছর আগে এই দিনটিকে ‘ই-কমার্স দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলো ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের জাতীয় বাণিজ্যিক সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। দেশের দেশের ই-কমার্স খাতকে বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে সপ্তম বারের মতো দিবসটি উদযাপন করছে সংগঠনটির সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো।
শহর কেন্দ্রীকতা থেকে গ্রামীণ অন্তর্ভূক্তির প্রত্যয় নিয়ে এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে ‘গ্রাম থেকে বিশ্বে, ই-কমার্স শীর্ষে’।
দিবসটিকে সামনে রেখে সপ্তাহজুড়ে ভার্চুয়ালি উদ্যাপিত হচ্ছে ‘ই-কমার্স সপ্তাহ’। পণ্য ও সেবায় রকমারি অফার দিয়ে ই-ক্যাবের প্রায় ১ হাজার ৭০০ সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো মহমারি সময়ের মতো মহামারী পরবর্তী সময়েও ব্যবসায়-বাণিজ্যে ই-কমার্স এর শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখতে চেষ্টা করছে। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে গ্রাহকের আস্থা অটুট করার বিষয়ে। দিবসের প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশেষ একটি ব্যাচ এখন ঘুরছে ই-কমার্স ব্যবসায়ী-শুভানুধ্যায়ীদের অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে। দিবসের এই ব্যাচটিতে এখন সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া।
তবে রমজানের কারণে এ বছর ই-কমার্স দিবসে বড় কোনো আয়োজন থাকছে না জানিয়ে ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল ডিজিবাংলা-কে বলেছেন, ই-কমার্সকে শীর্ষে রাখতে আমরা গ্রাহকের আস্থা রক্ষার মাধ্যমে প্রন্ত থেকে কেন্দ্র হয়ে বিশ্বজয়ের অর্থাৎ ক্রস বর্ডার ই-কমার্স -এ সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে ভার্চুয়াল সেমিনার করার উদ্যোগ নিয়েছি। আর ই-কমার্স সপ্তাহ উপলক্ষে আগামী ১৫ এপ্রিল ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঈদের পরে বড় আকারের একটি অনুষ্ঠান করা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ৬০টির মতো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের নিয়ে যাত্রা শুরু করে ই-ক্যাব। এর পরের বছর থেকেই ই-বাণিজ্যের প্রচার ও প্রসারে ই-কমার্স দিবস পালন শুরু করে সংগঠনটি। বাংলাদেশের অনলাইন কেনাকাটা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এটির প্রতি সকলকে উৎসাহিত করতে ২০১৫ সালের ৭ই এপ্রিল ই-কমার্স দিবস ঘোষণা করে দিনটি উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলো ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। ২০১৫ সালকে ই-কমার্স বছর এবং এপ্রিলকে ই-কমার্স মাস হিসেবে ঘোষণা করে সংস্থাটি। বর্তমানে ই-ক্যাবের সদস্যসংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৭০০।